মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

ভৌগলিক পরিচিতি

বাংলাদেশে উপজেলা সদরের মধ্যে অন্যতম এবং গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি ভেড়ামারার। কুষ্টিয়া জেলা সদর হতে ২৩ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত ভেড়ামারা উপজেলা সদর। ১৫৩.৭২ বর্গকিলোমিটার ভূখন্ডের ভেড়ামারা উপজেলায় বসবাস করে ১লক্ষ ৯৯ হাজার ৪৮০ জন মানুষ।


এ উপজেলার উত্তর পূর্বে পদ্মানদীর উপর দুই সমান-রাল যুগল সৌন্দর্য ‘হার্ডিঞ্জব্রীজ’ ও ‘লালনশাহ সেতু’। পূর্ব দক্ষিণে জেলার মিরপুর ও পশ্চিমে দৌলতপুর উপজেলা এবং পূর্বে কুষ্টিয়া সদর উপজেলা। ১টি পৌরসভা ও ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ভেড়ামারা উপজেলা পরিষদ। এখানে রয়েছে ৮১টি গ্রাম এবং ৪৩টি মৌজা। ভেড়ামারা পূর্বে থানা হিসেবে পরিচিতি থাকলেও ১৯৮১ সালের ৭ নভেম্বর ভেড়ামারা উপজেলা হিসেবে স্বীকৃতি পায়। কুষ্টিয়ার পরেই দেশের এবং বিশ্বের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ভেড়ামারার সুনাম। দেশের বৃহত্তম গঙ্গা কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প, ৬০ মেগওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন কেন্দ্র, বিশ্বের ১১তম বৃহৎ এবং দেশের বৃহৎ রেলওয়ে সেতু ‘হার্ডিঞ্জ ব্রীজ’ এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সড়ক সেতু ‘লালনশাহ সেতু’। রয়েছে হযরত সোলাইমান শাহ্ চিশতির মাজার শরীফ এবং গায়েবী মসজিদ খ্যাত তিন গম্বুজ মসজিদ ।ভেড়ামারা উপজেলার নামকরণের কোন সুনির্দিষ্ট ইতিহাস জানা যায় না। তবে লোক মুখে এবং শহুরী-গ্রামাঞ্চলে নানা কথার প্রচলন রয়েছে। জনা যায়, ভেড়ামারা এলাকায় অতীতে প্রচুর ভেড়া পালন করা হতো। তৎকালীন ব্রিটিশ আমলে ট্রেন চলাকালীন অবস্থায় ভেড়ামারা ষ্টেশন সংলগ্ন এলাকায় একযোগে শতাধিক ভেড়া ট্রেনের নীচে পড়ে কাটা পড়ে মারা যায়। সেই সময় ‘ভেড়া মরা’ হতেই ভেড়ামারার নামকরণ করা হয়েছিল।